দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় উল্লম্ফন
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। সর্বশেষ হিসাবে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৫ হাজার ৩১ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ডলার, যা ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারের সমান। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফের বিপিএম ছয় হিসাব পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ২৮৯ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ডলার বা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম ছয় পদ্ধতিতে ছিল ৩০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে কয়েক দিনের ব্যবধানে রিজার্ভে দৃশ্যমান প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রস রিজার্ভ এবং বিপিএম ছয় পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম ছয় পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় বাদ দিয়ে নিট বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়। ফলে এটি প্রকৃত রিজার্ভ সক্ষমতার একটি বাস্তবসম্মত চিত্র তুলে ধরে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রিজার্ভের এই ইতিবাচক প্রবণতা অর্থনীতির জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি যত শক্ত হবে, উন্নয়নের পথও তত সুদৃঢ় হবে। রিজার্ভে এই অগ্রগতি সেই শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।