নবম পে-স্কেলের গেজেট ভেটিংয়ে, প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা
সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খসড়া রেজল্যুশন বিজি প্রেস ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়া শেষে বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ে রয়েছে। আইনি যাচাই শেষ হলে এসআরও নম্বর দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে-স্কেল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর রেজল্যুশনটি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসে এবং পরে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়।
এর আগে ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদনের কথা জানানো হয়। নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত রয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা রয়েছে। নবম গ্রেডের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা থেকে ৪৪ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
তবে বাড়তি বেতন একবারে নয়, তিন ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে বর্ধিত অংশ যথাক্রমে ৫০, ২৫ ও ২৫ শতাংশ এবং প্রথম থেকে নবম গ্রেডে ৪০, ৩০ ও ৩০ শতাংশ হারে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
নতুন কাঠামোর বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরের পরিকল্পনা রয়েছে। পে-স্কেল বাস্তবায়নে বেতন, ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব করা হয়েছে। এতে সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগী মিলিয়ে প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।