আরও বাড়ল এলপিজির দাম, সন্ধ্যা থেকে কার্যকর
ভোক্তা পর্যায়ে আবারও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। নতুন এই দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঘোষিত এই মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে এলপিজি ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের ব্যয় আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিদিনের রান্নাবান্নায় এলপিজির ওপর নির্ভরশীল বহু পরিবার নতুন দামের কারণে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করতে পারে।
একই ঘোষণায় অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা ৩৪ পয়সা বৃদ্ধি করে মূসকসহ ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে অটোগ্যাসচালিত যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের ব্যয়ও বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আগের ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের নতুন মূল্যও এই মাসের জন্য কার্যকর হবে।
এর আগে চলতি বছরের ০৪ জানুয়ারি সর্বশেষ এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই দিনে অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছিল, সে সময় লিটারপ্রতি ২ টাকা ৪৮ পয়সা বৃদ্ধি করে মূসকসহ ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
নিয়মিত মূল্য সমন্বয়ের ফলে একদিকে বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার চেষ্টা করা হলেও অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তার জীবনযাত্রার ব্যয়ও ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রান্নার জ্বালানি ও পরিবহন খাতে দামের পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন খরচে প্রভাব ফেলে।
সবশেষে বলা যায়, ঘরের চুলা থেকে পথের গাড়ি পর্যন্ত প্রতিটি জ্বালানির দামের ওঠানামা মানুষের জীবনে নীরবে চাপ বাড়ায়, আর সেই চাপের ভেতরেও মানুষ প্রতিদিন নতুন করে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যায়।