শক্তিশালী প্রতিনিধিদল নিয়ে পাকিস্তানে পৌঁছাল ইরানের একাধিক বিমান
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনা চলাকালে পাকিস্তানে ইরানের উপস্থিতি আরও জোরালো হয়েছে।
ইসলামাবাদে আলোচনার সূচনার কিছু সময়ের মধ্যেই তেহরান থেকে অন্তত তিনটি বিমান রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় এই তথ্য সামনে আসে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এসব বিমানে প্রায় ৭০ জনের একটি প্রতিনিধিদল ছিল। তবে তারা কারা এবং তাদের সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
বিমানগুলো পুইয়া এয়ারের বলে জানা গেছে, যা ইরানের একটি কার্গো এয়ারলাইন হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সামরিক সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। সংস্থাটি তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত হয়, যা সম্প্রতি সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হামলার শিকার হয়েছিল।
ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, চলমান আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে, সে কারণেই এই সফর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানে আটক আমেরিকান নাগরিকদের মুক্তির বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে।
তবে ইসলামাবাদের এই বৈঠকে বন্দি বিনিময় ইস্যু অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না কিংবা ইরানি বিমানের আগমনের সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রতিনিধিদলের এই আকস্মিক আগমন চলমান আলোচনার গুরুত্ব ও জটিলতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।