বিমান হামলার সতর্কতায় এআই ব্যবহার, উন্নত করছে ইসরাইল
গাজা যুদ্ধ ও ইরানের সঙ্গে সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইসরাইল তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যুক্ত করেছে, যার ফলে সতর্কতা ব্যবস্থা আগের তুলনায় আরও নির্ভুল ও কার্যকর হয়েছে।
আগে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আসার সম্ভাবনা থাকলে পুরো শহরে একসঙ্গে সাইরেন বাজানো হতো। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হতো। কিন্তু এখন এআই-নির্ভর প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য আঘাতের স্থান নির্ধারণ করে নির্দিষ্ট এলাকায় সতর্কতা জারি করা হচ্ছে।
ইসরাইল তাদের সতর্কতা অঞ্চল সংখ্যা ২৫ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ১,৭০০-তে উন্নীত করেছে। বড় শহরগুলোকে ছোট ছোট এলাকায় ভাগ করা হয়েছে, ফলে শুধুমাত্র ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মানুষকেই সতর্ক করা সম্ভব হচ্ছে।
এই ব্যবস্থায় স্মার্টফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রায় ৪০ লাখ ব্যবহারকারীর একটি অ্যাপের মাধ্যমে অবস্থানভিত্তিক সতর্কতা, আশ্রয়ে যেতে কত সময় লাগবে এবং বিপদ কেটে গেলে ‘নিরাপদ’ বার্তা পাঠানো হচ্ছে।
এছাড়া সেল ব্রডকাস্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকার সব মোবাইল ফোনে একসঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে।
এই প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন কিছুটা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক কমেছে, যদিও মানসিক চাপ পুরোপুরি দূর হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই ব্যবহারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও নির্ভুল পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে, যা যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।