মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় ইউরোপে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৩৫ শতাংশ
উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি স্থাপনায় হামলার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এর প্রভাবে ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার বাজার পরিস্থিতিতে দেখা যায়, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় গ্যাসের দামে হঠাৎ ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যেও গ্যাসের মূল্য ২০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। বর্তমানে দেশটিতে গ্যাসের দাম প্রায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে থার্ম প্রতি ১৭১ পেনিতে লেনদেন হচ্ছে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১১২ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের দিনের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেলের দাম ৪৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং মার্চের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে তা ১০০ ডলারের নিচে নামেনি।
এছাড়া সর্বশেষ লেনদেনে তেলের দাম আরও বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৩ ডলারে পৌঁছেছে, যা বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জ্বালানি বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাতারের প্রধান গ্যাস কেন্দ্র লক্ষ্য করে ইরানের ধারাবাহিক হামলার ফলে উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ইউরোপসহ বিশ্ববাজারে গ্যাস ও তেলের দামে চাপ বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে এবং এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।