ভোট কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগ, ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের
জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
রোববার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভোটগ্রহণের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে, যা নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, বাড্ডা আদর্শনগর বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বরকতের প্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটের দিন কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের সরাসরি সম্প্রচারে দেখা যায়, অন্য দলের পোলিং এজেন্টদের আসনে বসা কিছু ব্যক্তি বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের নাম উচ্চারণ করছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, প্রাথমিক হিসেবে তিনি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও চূড়ান্ত ফলাফলের কাগজে সেই ব্যবধান হঠাৎ কমে যায়, যা জনমনে সংশয় তৈরি করেছে। ভোর পর্যন্ত কিছু কেন্দ্রে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের মাধ্যমে ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা বা অভিযুক্ত প্রার্থীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক অবস্থানও এ বিষয়ে এখনো জানা যায়নি।
নাহিদ ইসলাম তার পোস্টে বলেন, কারচুপি ও ফলাফল বদলের রাজনীতি গ্রহণযোগ্য নয় এবং জনগণের রায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো চেষ্টা শেষ পর্যন্ত জনগণই মোকাবিলা করবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হলে জনআস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।