সিলেটে শ্বশুরবাড়ি থেকে ধানের শীষের প্রচার শুরু, এম এ মালেকের পক্ষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তিনি সিলেট-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম এ মালেকের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, এলাকার মেয়ের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব এখানকার মানুষের। তার মতে, এই সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে, যখন ওই আসনে ধানের শীষ বিজয়ী হবে। তিনি উপস্থিত জনতার কাছে জানতে চান, বিরাইমপুর ও দক্ষিণ সুরমা থেকে ধানের শীষকে জয়ী করা সম্ভব কি না। জবাবে উপস্থিত জনতা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার অঙ্গীকার করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার রাতে সিলেট সফরে এসে তিনি হযরত শাহজালাল রহ. ও হযরত শাহপরান রহ. এর মাজার জিয়ারত করেন। সফরে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবায়দা রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। শাহপরান রহ. এর মাজার জিয়ারত শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বিরাইমপুরের উদ্দেশে রওনা হন এবং রাত ১টার দিকে সেখানে পৌঁছান।
নিজেকে এলাকার সন্তান উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জুবায়দা রহমান যেমন এই এলাকার সন্তান, তেমনি তিনিও এখন এই এলাকার একজন। সেই পরিচয় থেকেই তিনি দাবি করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই এলাকা থেকে ধানের শীষ আবারও বিজয়ী হবে।
বিরাইমপুর থেকেই আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মাজার জিয়ারত করে দক্ষিণ সুরমার মাটি থেকেই বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করা হলো। তিনি এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চান, যাতে ধানের শীষ বিজয়ী হয় এবং ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা যায়।
বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চায় এবং গত ১৬ বছরে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন। বক্তব্য শেষে বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় মোনাজাত করা হয়, পরে শিরনি বিতরণ করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
পরে তিনি নগরীর বিমানবন্দর এলাকার একটি হোটেলে রাত যাপন করবেন বলে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওই হোটেলে ১৩০ জন অরাজনৈতিক তরুণের সঙ্গে মতবিনিময়, এরপর সিলেট আলীয়া মাদরাসায় সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। পরবর্তী সময়ে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধারাবাহিক সমাবেশে অংশ নেওয়ার কর্মসূচির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।