এনসিপির সমঝোতার ৩০ আসনের মধ্যে ফাঁকা ৩ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, জানাল মিডিয়া সেল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি সমঝোতা হওয়া ৩০টি আসনের মধ্যে ফাঁকা রাখা ৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান এনসিপির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম। তিনি বলেন, ফাঁকা রাখা তিন আসনের মধ্যে নেত্রকোনা ২ আসনে ফাহিম পাঠান, মৌলভীবাজার ৪ আসনে প্রীতম দাশ এবং রাজবাড়ী ২ আসনে জামিল হিজাযী প্রার্থী হচ্ছেন।
এর আগে রোববার এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২৭টি আসনের প্রার্থীদের নাম ও ছবি সংবলিত পোস্টার প্রকাশ করা হয়। পোস্টারে দলের নির্বাচনী প্রতীক শাপলা কলি মার্কায় ভোট চাওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এনসিপির চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা ১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর ৪ আসনে সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কুমিল্লা ৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, পঞ্চগড় ১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, ঢাকা ৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং নোয়াখালী ৬ আসনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ নির্বাচন করছেন।
এ ছাড়া ঢাকা ৯, ঢাকা ১৮, ঢাকা ১৯, ঢাকা ২০, নারায়ণগঞ্জ ৪, মুন্সিগঞ্জ ২, লক্ষ্মীপুর ১, সিরাজগঞ্জ ৬, নরসিংদী ২, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ ও ৩, দিনাজপুর ৫, নোয়াখালী ২, কুড়িগ্রাম ২, ময়মনসিংহ ১১, টাঙ্গাইল ৩, গাজীপুর ২, পিরোজপুর ৩ এবং নাটোর ৩ আসনসহ বিভিন্ন আসনে এনসিপির প্রার্থীরা শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২৫৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই সমঝোতায় না এসে এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দেয় এবং বাকি ৩২টি আসনে তারা অন্যদের সমর্থন দেবে বলে জানায়। এই নির্বাচনী ঐক্যের শরিক হিসেবে এনসিপি ৩০ আসনে নির্বাচন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।