জৈন্তাপুরে তিন নারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উদ্যোগে কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়
সুয়েব রানা: জৈন্তাপুর
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের উমনপুর এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের (১ম সংশোধিত) আওতায় উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা, কৃষি উন্নয়নের অগ্রগতি এবং উপকারভোগীদের প্রয়োজনীয়তা সরাসরি শুনে তা কার্যক্রমে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সভাটি আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) উমনপুর অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুর রহিম, মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব ডঃ মোঃ মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চল, সিলেট। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হুমায়ুন দিলদার, উপজেলা কৃষি অফিসার, জৈন্তাপুর।
এই মতবিনিময় সভাকে মাঠভিত্তিকভাবে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন চিকনাগুল ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন নারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা। তারা পৃথক ব্লকে দায়িত্ব পালন করে নিয়মিত মাঠে উপস্থিত থেকে উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগে সহায়তা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন।
চিকনাগুল ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক ব্লকে দায়িত্ব পালন করছেন-তামান্না আক্তার (১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড), সানজিদা ইসরাত (৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড) এবং খাদিজা সুলতানা জেরিন (৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড)। মাঠপর্যায়ে তাদের ধারাবাহিক তৎপরতায় কৃষক-কৃষাণীরা প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগে উৎসাহ পাচ্ছেন এবং সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের পথও তৈরি হচ্ছে।
সভায় আলোচকরা বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ এবং মাঠভিত্তিক পরামর্শসেবা জোরদার করা প্রয়োজন। উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা সরাসরি শোনা গেলে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ সেবার মানও বাড়ে।
মতবিনিময়ে উপকারভোগীরা প্রকল্পের আওতায় পাওয়া সহায়তা, কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তারা মাঠপর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী কৃষি উপকরণ, প্রযুক্তি ও পরামর্শসেবা আরও সহজপ্রাপ্য করার বিষয়ে মতামত দেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় কৃষকসেবা আরও গতিশীল করতে নিয়মিতভাবে মতামত গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ের সংযোগ আরও জোরদার করা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ নুরুল ইসলাম খান, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার, এবং উপসহকারী কৃষি অফিসার ভানু চন্দ্র নাথ, সমর মোহন ধর, নোমান আহমদ, কামরুন নাহার, সোহেব আহমদ, সাহাব উদ্দিন, দেলোয়ার হোসাইন, মোঃ সালেহ আহমদসহ সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তামান্না আক্তার, সানজিদা ইসরাত ও খাদিজা সুলতানা জেরিন।
মতবিনিময় সভাটির আয়োজন করে উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়, জৈন্তাপুর, সিলেট। দিনশেষে সভার মূল বার্তা ছিল-কৃষকের শ্রম যখন আধুনিক প্রযুক্তি ও সময়োপযোগী কৃষি সেবার সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়ায়, তখন কৃষি উৎপাদনে গতি আসে, আয় বাড়ে এবং এলাকার সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) উমনপুর অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুর রহিম, মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব ডঃ মোঃ মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চল, সিলেট। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হুমায়ুন দিলদার, উপজেলা কৃষি অফিসার, জৈন্তাপুর।
এই মতবিনিময় সভাকে মাঠভিত্তিকভাবে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন চিকনাগুল ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন নারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা। তারা পৃথক ব্লকে দায়িত্ব পালন করে নিয়মিত মাঠে উপস্থিত থেকে উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগে সহায়তা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন।
চিকনাগুল ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক ব্লকে দায়িত্ব পালন করছেন-তামান্না আক্তার (১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড), সানজিদা ইসরাত (৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড) এবং খাদিজা সুলতানা জেরিন (৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড)। মাঠপর্যায়ে তাদের ধারাবাহিক তৎপরতায় কৃষক-কৃষাণীরা প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগে উৎসাহ পাচ্ছেন এবং সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের পথও তৈরি হচ্ছে।
সভায় আলোচকরা বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ এবং মাঠভিত্তিক পরামর্শসেবা জোরদার করা প্রয়োজন। উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা সরাসরি শোনা গেলে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ সেবার মানও বাড়ে।
মতবিনিময়ে উপকারভোগীরা প্রকল্পের আওতায় পাওয়া সহায়তা, কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তারা মাঠপর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী কৃষি উপকরণ, প্রযুক্তি ও পরামর্শসেবা আরও সহজপ্রাপ্য করার বিষয়ে মতামত দেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় কৃষকসেবা আরও গতিশীল করতে নিয়মিতভাবে মতামত গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ের সংযোগ আরও জোরদার করা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ নুরুল ইসলাম খান, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার, এবং উপসহকারী কৃষি অফিসার ভানু চন্দ্র নাথ, সমর মোহন ধর, নোমান আহমদ, কামরুন নাহার, সোহেব আহমদ, সাহাব উদ্দিন, দেলোয়ার হোসাইন, মোঃ সালেহ আহমদসহ সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তামান্না আক্তার, সানজিদা ইসরাত ও খাদিজা সুলতানা জেরিন।
মতবিনিময় সভাটির আয়োজন করে উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়, জৈন্তাপুর, সিলেট। দিনশেষে সভার মূল বার্তা ছিল-কৃষকের শ্রম যখন আধুনিক প্রযুক্তি ও সময়োপযোগী কৃষি সেবার সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়ায়, তখন কৃষি উৎপাদনে গতি আসে, আয় বাড়ে এবং এলাকার সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।