বুধবার , ২৯ জুলাই ২০২৬
সাম্প্রতিক
জনতার ভালোবাসায় সিক্ত এক আলোকোজ্জ্বল বিদায়, কোম্পানীগঞ্জে নজিরবিহীন মানবিক দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন ওসি রতন শেখ পিপিএম বাংলাদেশের বাজারের ৯৫ শতাংশ চিনির নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা, দোয়া ও সমর্থন চাইলেন মোঃ সেলিম আহমদ সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়ে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান পুলিশের বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ২ ডলারের বেশি বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা জাপানে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান বৈশ্বিক এআই নীতিমালা প্রণয়নে সক্রিয় নেতৃত্ব চায় চীন দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান দেশে ফিরলে ব্যাপক জনসমাগম হতে পারে, মনে করছেন সাকিব ফ্রান্সে দাবানলের বিস্তার অব্যাহত, নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ সাংবাদিকতা জনকল্যাণে নিবেদিত দায়িত্বশীল সেবা, বিভাগীয় কমিশনার এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটিতে গ্যাস সংকট, স্বাভাবিক হতে লাগতে পারে আরও দুই সপ্তাহ ভারতে এক যুবককে বিয়ে করলেন তিন বোন, সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নয়, আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেনাসদরে সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবি পরিদর্শন, সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে মেধাভিত্তিক পদোন্নতির ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ দলীয় নিয়োগে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অভিযোগ এনসিপির আখতার হোসেনের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ত্রিপলের নামাজের স্থানও অপসারণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্তে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে যাচ্ছেন সিইসি জাতীয় সাহিত্য সম্মেলনে কবি সাহিত্যিকদের মিলনমেলা, সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর বাংলা একাডেমি সিলেট ব্যাটালিয়নের অতন্দ্র প্রহরী ভূমিকা, ১৯ ও ৪৮ বিজিবির নিরলস প্রচেষ্টায় নিরাপদ সীমান্ত, সুরক্ষিত দেশ গোয়াইনঘাটকে মাদকমুক্ত ও দালালামুক্ত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ওসি ওমর ফারুক জৈন্তাপুরের মানুষের হৃদয় জয় করে এবার কোম্পানিগঞ্জের ওসির দায়িত্বে মো. উসমান গনি লন্ডনে গ্রেটার বালুচর প্রবাসী সোশ্যাল এসোসিয়েশনের অভিষেক সম্পন্ন
হোমঅর্থনীতিসম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, ভাঙনের শঙ্কা জোরালো

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, ভাঙনের শঙ্কা জোরালো

icon
দর্পণ টিভি লন্ডন
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, ভাঙনের শঙ্কা জোরালো

দেশের পাঁচটি দুর্বল শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক এখন নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যেখানে অংশীদার ব্যাংকগুলোর সরে যাওয়ার প্রবণতায় পুরো উদ্যোগটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শনিবার (২ মে) সংশ্লিষ্ট খাতের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, একীভূত হওয়ার কয়েক মাস পরও ব্যাংকটির কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি এবং প্রত্যাশিত আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন করা যায়নি।

গত বছরের ২১ ডিসেম্বর এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে একত্র করে নতুন এই ব্যাংক গঠন করা হয়। লক্ষ্য ছিল দুর্বল ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠন করে তারল্য সংকট কাটানো এবং গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।

তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, আমানত ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া ধীরগতির এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে গ্রাহকদের আস্থা সংকট আরও গভীর হয়েছে।

এর মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ইতোমধ্যে একীভূত কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে। একই ধরনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক্সিম ব্যাংকেও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। এই প্রবণতা একীভূত উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শুরু থেকেই এই উদ্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, কারণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ছিল অত্যন্ত বেশি এবং আর্থিক ভিত্তি দুর্বল। ফলে শুধু একীভূত করলেই সমস্যার মূল সমাধান সম্ভব নয়।

সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তা দেওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় নীতিগত কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ কাঠামোতে লিকুইডেশন, নতুন বিনিয়োগকারীর কাছে হস্তান্তর কিংবা পুনর্গঠনের মতো বিকল্প সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

বর্তমানে ব্যাংকটির সঙ্গে প্রায় ৯১ লাখের বেশি হিসাবধারী এবং ১৫ হাজারের বেশি কর্মী যুক্ত থাকায় এর ভবিষ্যৎ সরাসরি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক শাখায় গ্রাহক উপস্থিতি কমে যাওয়া এবং আমানত প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার বিষয়টিও উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, একীভূত প্রক্রিয়া এখনও চলমান এবং পরিচালনা কাঠামো শক্তিশালী করার কাজ চলছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিস্থিতি উন্নত হলে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ রাখা হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিগত স্থিতিশীলতা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারই এই সংকট থেকে উত্তরণের মূল চাবিকাঠি। এখন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সরকারের সিদ্ধান্তের দিকেই সবার নজর রয়েছে।