নারী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের উন্নয়নে অগ্রাধিকার, জানালেন ডা. জুবাইদা রহমান
নারী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাবলম্বী করে তোলাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিএনপি চেয়ারপারসনের পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, নারীরা অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম হলে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু ও শ্রমজীবী মানুষের সম্মানে এ আয়োজন করা হয়।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সমাজের অবহেলিত নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই তাদের লক্ষ্য। একটি জাতির টেকসই উন্নয়নের জন্য নারী মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অপরিহার্য। শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তর থেকেই কারিগরি শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন, যাতে দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে জনগণের কল্যাণে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনস্বার্থে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, সংগঠনটি মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, রাজধানীর কড়াইল ও সাততলা বস্তিতে প্রতি ১৫ দিন অন্তর জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম চালানো হবে।
ইফতার মাহফিলে ঢাকা ১৭ আসনের ভাসানটেক ও কড়াইল এলাকার সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুরা অংশ নেন। ফাউন্ডেশনের বোর্ড সদস্য ও উপদেষ্টাদের মধ্যে অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ডা. সৈয়দা তাজনিন ওয়ারিস সিমকী, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম, ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ ও প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইফতারের এই আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক সহমর্মিতার বার্তা উঠে আসে। অংশগ্রহণকারীদের মতে, সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগই পারে সমতার ভিত্তিতে একটি মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে।