জৈন্তাপুরে পুলিশের সফল অভিযান, ভারতীয় জিরা ও ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে পৃথক দুটি ঘটনায় ৭৮০ কেজি ভারতীয় জিরা ও ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধ দমনে পুলিশের এমন তৎপরতা স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
মঙ্গলবার ২২ জুলাই বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ উপজেলার ৪ নম্বর দরবস্ত ইউনিয়নের গর্দানা এলাকার ধামরী ব্রিজের উত্তর পাশে সিলেট তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কে একটি পিকআপ গাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় ২৬ বস্তা ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়। প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি হিসেবে মোট ৭৮০ কেজি জিরার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। একই সঙ্গে জিরা বহনকারী পিকআপ গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পিকআপ গাড়ির চালক জসীম উদ্দীন, ৪০, কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জৈন্তাপুর উপজেলার পূর্ব পাতন গ্রামের বাসিন্দা।
একই দিন বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের আরেকটি অভিযানে উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের নয়া বাড়ি এলাকায় ইমরান আহমদ মহিলা কলেজগামী সড়ক থেকে ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাহাঙ্গীর আলম, ৪৬, কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জৈন্তাপুর উপজেলার জালাল বস্তি এলাকার বাসিন্দা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী উপজেলা জৈন্তাপুরে চোরাচালান, মাদক ও বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। থানার অফিসার ইনচার্জ এবং তদন্ত কর্মকর্তা সার্বিক তদারকি ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তাদের নেতৃত্বে থানার পুলিশ সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের মতে, জৈন্তাপুর মডেল থানার ধারাবাহিক ও পেশাদার অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের নিয়মিত এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।