কানাডায় যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
কানাডার রাজধানী অটোয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
শনিবার ২৬ মার্চ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কানাডার রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যময়।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কূটনৈতিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদীয় সচিব রবার্ট অলিফ্যান্ট। এছাড়া বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মো. জসীম উদ্দিন মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদ, নির্যাতিত নারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতা শুধু অর্জনের বিষয় নয়, এটি একটি চলমান দায়িত্ব, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান রাখতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ভিত্তি করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধান অতিথি রবার্ট অলিফ্যান্ট তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করছে এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের অবদান প্রশংসনীয়।
অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরতে কেক কাটার আয়োজন করা হয়, যেখানে অতিথিরা অংশ নিয়ে উদ্যাপনে নতুন মাত্রা যোগ করেন। এ সময় কানাডা বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের সভাপতি ব্র্যাড রেডেকপ এবং ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন ও মরক্কোর রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।
সাংস্কৃতিক পর্বে প্রবাসী শিল্পীদের পরিবেশনায় বাংলাদেশ নামের নৃত্যনাট্য দর্শকদের মুগ্ধ করে, যেখানে দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঋতুচক্রের চিত্র তুলে ধরা হয়।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ হাউসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।