টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিল নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব, টেনশনে প্রার্থী-সমর্থকরা
লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হলেও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হওয়ায় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে বাড়ছে উৎকণ্ঠা। শুক্রবার (৮ মে) ইস্ট লন্ডনের এক্সেল সেন্টারে মেয়র নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হয়নি।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথমে ব্যালট পেপারের ভেরিফিকেশন বা যাচাই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। এরপর শুরু হয়েছে মূল ভোট গণনা। তবে বিপুল সংখ্যক ভোট এবং কঠোর যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে ফলাফল প্রকাশে দেরি হচ্ছে।
এবারের নির্বাচনে আগের মতো প্রথম ও দ্বিতীয় প্রেফারেন্সভিত্তিক ভোট পদ্ধতি নেই। শুধুমাত্র প্রথম প্রেফারেন্সের ভোট গণনা করা হচ্ছে। ফলে যে প্রার্থী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন, তিনিই মেয়র নির্বাচিত হবেন।
মেয়র নির্বাচনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চারজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হওয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশি প্রার্থীরা হলেন অ্যাসপায়ার পার্টির বর্তমান মেয়র লুৎফুর রহমান, লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম, টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির ব্যারিস্টার জামি আলী এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটসের মোহাম্মদ আবদুল হান্নান।
এ ছাড়া নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির ডমিনিক নোলান, গ্রিন পার্টির হীরা খান, ট্রেড ইউনিয়নিস্ট অ্যান্ড সোশালিস্ট কোয়ালিশনের হুগো পিয়েরে, রিফর্ম ইউকের জন বোলার্ড এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্যারেন্স ম্যাকগ্রেন।
এক্সেল সেন্টারের বাইরে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকদের জটলা, আলোচনা ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে নিজেদের মতামতও প্রকাশ করছেন।
অন্যদিকে শনিবার (৯ মে) সকাল থেকে শুরু হবে ২০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনের ভোট গণনা। প্রায় ৩০০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় এই গণনা শেষ করতেও দীর্ঘ সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।