নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ বিকাল চারটায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার নবান্ন রেস্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও কলামিস্ট ডক্টর প্রদীপ রঞ্জন কর এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ বখতির আলী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এবং সাবেক সংসদ সদস্য ডক্টর এ কে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা হাজি শফিকুল আলম, প্রবীণ সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, অধ্যাপক হোসনে আরা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশীদ আনোয়ার বাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হুসাইন এবং সাবেক কূটনীতিক এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন সবুজসহ আরও অনেকে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল বিল্লাহ, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, সহসভাপতি টি মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ খানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডক্টর এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করা সম্ভব হতো না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন গণতন্ত্র, মানুষের কল্যাণ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতীক। তার আদর্শকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিভিন্ন শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন টি মোল্লা।
ইফতার শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একশ ছয়তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং উপস্থিত সবার মধ্যে তা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।