৫৮ বছর পর পশ্চিম তীরের বিস্তীর্ণ জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত ইসরাইলের
অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিস্তীর্ণ এলাকাকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ইসরাইল সরকার।
১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলের পর এ ধরনের পদক্ষেপ এই প্রথম নেওয়া হলো বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ যৌথভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট জমিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নথিভুক্ত হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণকে আরও গতি দিতে পারে, যা দীর্ঘদিনের ইসরাইল ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বকে নতুন করে জটিল করে তুলবে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন আগেই এ ধরনের উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বহু দেশ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে বিবেচনা করে। ফলে সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সংকটের এই অধ্যায়ে ভূমি মালিকানা প্রশ্ন আবারও সামনে চলে এলো, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত শুধু মানচিত্র নয়, মানুষের ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করে।