মার্চের মধ্যে পরমাণু চুক্তি না হলে ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আগামী মার্চের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি, অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা না হলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে। তিনি বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি হওয়া প্রয়োজন এবং এ ক্ষেত্রে ইরানকেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।
একই সঙ্গে তিনি কঠোর বার্তাও দেন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক বিকল্প আবারও সামনে আসতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, পূর্বের একটি সামরিক অভিযানের উল্লেখ করে প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
প্রেসিডেন্টের এ বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক চাপ জোরদার করতেই এ ধরনের অবস্থান তুলে ধরা হচ্ছে। তবে এমন কঠোর ভাষা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনপূর্ণ। নতুন করে সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা পুরো প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে। তবু বিশ্ব সম্প্রদায় এখনো কূটনৈতিক পথেই সমাধান খোঁজার প্রত্যাশা করছে, কারণ সংঘাতের পথ বেছে নেওয়া হলে তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকেও নাড়িয়ে দিতে পারে।