সিলেট চার আসনে জামায়াতে ইসলামী ও দশ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের গণসংযোগ ও জনসভা
দর্পণ টিভি লন্ডন
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
সুয়েব রানা: সিলেট
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে সিলেট চার আসনে দশ দলীয় জোট এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীনকে কেন্দ্র করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনভর গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিগুলোতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য, অনেকেই প্রার্থীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। সোমবার ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তেলিখার, পাড়ুয়া ও বাগারপারসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমাবেশ ও জনসংযোগ পরিচালিত হয়।
কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, আমি এই এলাকার মাটির সন্তান। যদি আমি মারা যাই, তবে এই মাটিতেই আমার দাফন-কাফন হবে। আপনারা আমার আপনজন, আমিও আপনাদের আপনজন। আমাকে অবশ্যই ভোট দেবেন, কারণ দিন শেষে আমি আপনাদেরই ভালো চাইব।
আয়োজক ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। উপস্থিতিদের মধ্যে ছিলেন মাওলানা লোকমান আহমদ, সাবেক চেয়ারম্যান দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ এবং সভাপতি সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, মাওলানা ফয়জুর রহমান আমীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াত, মখলিছুর রহমান সেক্রেটারি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াত, সাজ্জাদুর রহমান সাজু চেয়ারম্যান ইসাখলছ ইউনিয়ন, শফিকুর রহমান শিক্ষক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াত নেতা এবং আবুল হোসেন, আমাদের সময়ের প্রতিনিধি কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিক।
সভা ও গণসংযোগে বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে কথা বলেন। তাদের বক্তব্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। তারা আগামী নির্বাচনে প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।
কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবীরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। সমাবেশস্থলগুলোতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
সিলেট চার আসনে জামায়াতে ইসলামী ও দশ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের গণসংযোগ ও জনসভা
বিস্তারিত কমেন্টে
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন
Darpan TV UK
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
সিলেট চার আসনে জামায়াতে ইসলামী ও দশ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের গণসংযোগ ও জনসভা
সুয়েব রানা: সিলেট
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে সিলেট চার আসনে দশ দলীয় জোট এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীনকে কেন্দ্র করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনভর গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিগুলোতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য, অনেকেই প্রার্থীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। সোমবার ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তেলিখার, পাড়ুয়া ও বাগারপারসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমাবেশ ও জনসংযোগ পরিচালিত হয়।
কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, আমি এই এলাকার মাটির সন্তান। যদি আমি মারা যাই, তবে এই মাটিতেই আমার দাফন-কাফন হবে। আপনারা আমার আপনজন, আমিও আপনাদের আপনজন। আমাকে অবশ্যই ভোট দেবেন, কারণ দিন শেষে আমি আপনাদেরই ভালো চাইব।
আয়োজক ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। উপস্থিতিদের মধ্যে ছিলেন মাওলানা লোকমান আহমদ, সাবেক চেয়ারম্যান দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ এবং সভাপতি সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, মাওলানা ফয়জুর রহমান আমীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াত, মখলিছুর রহমান সেক্রেটারি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াত, সাজ্জাদুর রহমান সাজু চেয়ারম্যান ইসাখলছ ইউনিয়ন, শফিকুর রহমান শিক্ষক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াত নেতা এবং আবুল হোসেন, আমাদের সময়ের প্রতিনিধি কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিক।
সভা ও গণসংযোগে বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে কথা বলেন। তাদের বক্তব্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। তারা আগামী নির্বাচনে প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।
কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবীরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। সমাবেশস্থলগুলোতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।