ভালো কাজের স্বীকৃতি মেলে সময়ের বিচারে: কোটি মানুষের আস্থার নাম সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সারওয়ার আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা, শৃঙ্খলা এবং জনবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠ প্রশাসনে তার সক্রিয় উপস্থিতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আইনগত কাঠামোর ভেতরে থেকে দৃঢ় অবস্থান সিলেটের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করেছে। সরকারি সেবা সহজীকরণ, জনস্বার্থ সংরক্ষণ এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে সমাজের চিরাচরিত বাস্তবতা অনুযায়ী, ভালো কাজের বিপরীতে কিছু স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল মাঝেমধ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হলে যাদের অনিয়মের সুযোগ সংকুচিত হয়, মূলত তারাই এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িত থাকে। তবে এসব অপপ্রচার সাধারণ মানুষের কাছে তেমন প্রভাব ফেলতে পারছে না, কারণ মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। স্থানীয় একাধিক নাগরিক বলেন, আমরা তার কাজ দেখছি। একজন জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি দায়িত্বশীল, সাহসী ও জনমুখী ভূমিকা রাখছেন। গুজব নয়-কাজই তার আসল পরিচয়।
সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, বর্তমান সময়ে একজন প্রশাসকের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনগণের আস্থা। আর সেই আস্থা মোঃ সারওয়ার আলম তার কাজের মাধ্যমেই অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে হলে তাদের ইতিবাচক কাজগুলোকে সামনে আনা জরুরি। সময়ই শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করে দেয়-কে দায়িত্ব পালন করেছেন সুনামের সঙ্গে, আর কে গুজবের আশ্রয় নিয়েছে।
তাই আসুন, গুজবে কান না দিয়ে তার কাজের যথাযথ স্বীকৃতি দিয়ে তাকে উৎসাহিত করি এবং সম্মিলিতভাবে সিলেটকে একটি সত্যিকারের আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিই। এ প্রসঙ্গে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করে লেখাটি শেষ করতে চাই। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে যথাযথ মর্যাদা ও মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এই প্রথম একজন সরকারি কর্মকর্তা প্রবাসীদের গুরুত্ব ও অবদানকে আন্তরিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন-যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গর্বের বিষয় এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।
সে কারণে প্রবাসীরা বিশ্বাস করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো চক্রান্ত হলে তা প্রতিহত করতে তারা সবসময় সচেষ্ট থাকবেন। ইনশাআল্লাহ, মোঃ সারওয়ার আলম জেলা প্রশাসক হিসেবে তার মনোবল অটুট রেখে ভবিষ্যতেও সামনের দিকে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাবেন-এই প্রত্যাশাই সবার।
প্রতিবেদক:
মো. রহমত আলী
দর্পণ টিভি ইউকে
পরিচালক ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা