ইসরাইলের দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলার পরপরই তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার ৬ মার্চ ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানায়, ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের নতুন ধাপ শুরু হয়েছে। দেশটির আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ আইআরজিসির বরাতে জানায়, এটি ইসরাইলের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলার তেইশতম ধাপ।
অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, কয়েকটি দেশ চলমান পরিস্থিতি প্রশমনে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, জাতির মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ইরান কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। যারা এই সংঘাতের সূচনা করেছে এবং ইরানের জনগণের প্রতি অবজ্ঞা দেখিয়েছে, তাদের বিষয়টি সমাধানের দায়িত্ব মধ্যস্থতাকারীদের ওপরই বর্তায়।
পেজেশকিয়ান মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেওয়া দেশগুলোর নাম প্রকাশ করেননি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন দেশ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তা নয়, বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ওপরও প্রভাব ফেলছে। তাই সংঘাতের বিস্তার রোধে কূটনৈতিক উদ্যোগই এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রধান প্রত্যাশা হয়ে উঠেছে।