বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মাউশি এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৮২ জন কর্মচারীকে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হবে।
বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সচিবালয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এক সাংবাদিক জানতে চান, কম্পিউটার অপারেটরসহ অন্যান্য প্রশাসনিক পদে কর্মরত ব্যক্তিদের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি দিলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব কি না। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই এবং বিষয়টি কোন দপ্তর থেকে হয়েছে সেটিও তার জানা নেই। পরে সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের কথা উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তার দৃষ্টিগোচর হয়নি এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় কীভাবে এটি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত ৮২ জনকে দশম গ্রেডে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
শিক্ষা প্রশাসনে পদোন্নতি ও পদায়নের মতো বিষয়গুলোতে স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার গুণগত মান রক্ষা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঠিকতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
শিক্ষা খাতে যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর। তাই নীতিগত স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রশাসনিক পদায়ন নিশ্চিত করার প্রত্যাশা সবার।