বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুহেল চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন
বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরীকে অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় চিরবিদায় জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে আজ বিশ্বনাথ পৌরশহরের কারিকোনা গ্রামের ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজা ১০ ফেব্রুয়ারি।
জানাজায় সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন এবং প্রয়াত এই জনপ্রতিনিধির কর্মময় জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন জামেয়া মোহাম্মদিয়া আরাবিয়াহ মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা ফয়জুর রহমান। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত শোকসভায় বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ূন কবির, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী, সিলেট দুই আসনের এগারো দলীয় জোটের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুনতাসির আলী, সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলীর কনিষ্ঠ ভাই এম আসকির আলী, তার পুত্র আবরার ইলিয়াস অর্নব ও লাবিব শারার।
এছাড়াও বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গৌছ আলী, উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ লিলু মিয়া, লামাকাজি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, সিলেট দুই আসনে ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আমীর উদ্দিন, বিশ্বনাথ পৌর জামায়াতের আমির এইচ এম আক্তার ফারুকসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরী ছিলেন একজন জনপ্রিয় জননেতা ও সমাজসেবক, যিনি আমৃত্যু এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে বিশ্বনাথ এক নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবককে হারাল বলে তারা উল্লেখ করেন।
মানুষের ভালোবাসা আর অশ্রুজলে ভেজা এই বিদায় প্রমাণ করে, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও মানবিক আচরণই একজন মানুষকে মৃত্যুর পরও মানুষের হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখে।