শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ভিসি ড. তাজ উদ্দিন
লিডিং ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পরিচর্যা ও যত্ন নেওয়া অভিভাবকদের অন্যতম বড় দায়িত্ব। তিনি বলেন, ফুলকে যেমন পরিচর্যা করতে হয়, ঠিক তেমনি শিক্ষার্থীদের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। দায়িত্বহীনতা অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার ৩১ জানুয়ারি মধুশহীদ যুব ফোরামের উদ্যোগে ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ড. তাজ উদ্দিন বলেন, শিক্ষাজীবন থেকেই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি হয়। সেই ভিত্তি মজবুত হলে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়। এ কারণে তিনি অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও বেশি যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নম্বর বা গ্রেড কখনো একজন মানুষকে সম্পূর্ণভাবে নির্ধারণ করে না। সততা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং শেখার আগ্রহই একজনকে প্রকৃত অর্থে সফল করে তোলে। তিনি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার উদ্যোগ নেওয়ায় মধুশহীদ যুব ফোরামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে মধুশহীদ যুব ফোরামের সহ-সভাপতি লিয়াকত হোসেনের পরিচালনায় এবং সভাপতি পিংকু আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেট্রোপলিটন ল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল সৈয়দ কাওছার আহমদ, মধুশহীদ পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মল্লিক চৌধুরী এবং রুদন জামে মসজিদের সেক্রেটারি মো. আলাউদ্দিন বাদশাহ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন মধুশহীদ ফোরামের সহ-সভাপতি মো. গুলজার খান, সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ খান শুলশান, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রকিব শাহীনসহ সংগঠনের বিভিন্ন সম্পাদক ও কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ সাফওয়ান আহমদ।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের সাফল্যের পেছনে বাবা-মা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নীরব অবদান রয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার পাশাপাশি ভালো মানুষ হয়ে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।