প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড
দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড চালুর লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সভা শেষে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন সাংবাদিকদের জানান, প্রথম ধাপে দেশের পাঁচ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, এ কর্মসূচি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্ধারণ করা হবে।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মী বা সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করতে হলে প্রচলিত বিধি মেনেই তা করতে হবে। গণআচরণের মাধ্যমে কাউকে চাকরিচ্যুত করার সুযোগ নেই। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার বিষয়েও শিগগির সিদ্ধান্ত আসবে।
পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচি সম্প্রসারিত হবে। তিনি বলেন, হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে সর্বাগ্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, এরপর অন্যান্য দরিদ্র পরিবার এ সুবিধা পাবে।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নগদ সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। উপকারভোগী নির্ধারণে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং নারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিক করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।