মঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাম্প্রতিক
আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, পুনর্বিবেচনার অনুরোধ বাংলাদেশের ভারতের আচরণে সুসম্পর্কের ইতিবাচক লক্ষণ নেই: স্পিকার ভবিষ্যৎমুখী আইন বাংলাদেশের অগ্রগতির চাবিকাঠি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত মঙ্গলবার রাত থেকেই গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফেরার আশ্বাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি নির্বাচনে আসছে নতুন নিয়ম গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি, ৪৫ হাজার কোটি টাকার নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প ইউনিয়ন পর্যায়ে মাসে ৫০০ টাকা ভ্যাটের পরিকল্পনা এনবিআরের ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমল স্বর্ণের দাম চাকরি হারালেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে বিদেশি কর্মীদের ৪১ দেশে সম্প্রসারিত হচ্ছে প্রবাসীদের এনআইডি সেবা গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে লংমার্চ নয়, কার্যকর পরিকল্পনা দরকার: প্রধানমন্ত্রী বাংলা কিউআরে সপ্তাহে লেনদেন ছাড়াল ৭০০ কোটি টাকা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী র‍্যাবের সঙ্গে এসআরবির কোনো সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেঙ্গু কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতে মাউশির নির্দেশ নবম পে-স্কেলের গেজেট ভেটিংয়ে, প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা বিআরটিএর অনুমোদন ছাড়া স্লিপার বাস চলবে না: হাইকোর্ট ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, পাঁচ দিন বৃষ্টির আভাস শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল: সিইসি জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না: রাষ্ট্রপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন, সমীক্ষা ও নকশা শেষ বাঁধনের ওপর হামলা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয়: ডেপুটি স্পিকার গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রাথমিকের ১৪,৩৮৪ সহকারী শিক্ষকের যোগদান ১ অক্টোবর ইস্ট লন্ডন মসজিদের প্রেস ব্রিফিং: ১৩ ও ২৬ সেপ্টেম্বর পুরুষ ও নারীদের পৃথক চ্যারিটি রানে অংশগ্রহণের আহ্বান
হোমজাতীয়ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, প্রতিশ্রুতি পূরণে সন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, প্রতিশ্রুতি পূরণে সন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর

icon
দর্পণ টিভি লন্ডন
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, প্রতিশ্রুতি পূরণে সন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর

নারীর আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা এবং পরিবারের অর্থনৈতিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে। রাজধানীর বনানী কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

মঙ্গলবার ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে স্থাপিত ল্যাপটপে বাটন চাপ দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে বড় ডিজিটাল পর্দায় ফ্যামিলি কার্ডের প্রতীকী চিত্র প্রদর্শিত হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে নিবন্ধিত নারী সদস্যদের ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবার মাধ্যমে নির্ধারিত অর্থ সহায়তা পৌঁছে যায়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে নারীপ্রধান পরিবারগুলোর আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের পথেই সরকার এগোচ্ছে। তিনি জানান, সবার সহযোগিতা ও আল্লাহর রহমতে এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সূচনা করা সম্ভব হয়েছে এবং দিনটি তার জন্য বিশেষ আনন্দের।

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রতীকীভাবে ১৭ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা মোহাম্মদ আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং সরকারের সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া কয়েকজন নারী নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। ঢাকার কড়াইল এলাকার বাসিন্দা জরিনা বেগম বলেন, তিনি কখনো ভাবেননি এমন একটি সহায়তা পাবেন এবং এই অর্থ তার পরিবারের জন্য বড় সহায়ক হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন জেলার ১৪টি স্থানে এই কর্মসূচি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারী এই কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড কর্মসূচিও শুরু হয়েছে এবং আগামী মাসের মধ্যে কৃষকদের কাছেও সেই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্বশীলভাবে জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে, তবে জনগণের আস্থার মর্যাদা রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নারীর ক্ষমতায়নকে দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে সমাজে সম্মানের অবস্থানে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয় যখন তার সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছায়। আর সেই পথেই দেশের প্রতিটি পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায় সরকার।