আরিফুল হক চৌধুরী মানেই উন্নয়ন,সিলেট ৪ এখন বড় প্রত্যাশার কেন্দ্রে
সুয়েব রানা,জৈন্তাপুর
০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
সিলেট ৪ আসনের মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আরিফুল হক চৌধুরী। সাবেক দুইবারের মেয়র, বর্তমান সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনাকে ঘিরে এই আসনের মানুষের প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে।
আরিফুল হক চৌধুরীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি সামনে আসে, তা হলো উন্নয়ন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে মানুষের প্রয়োজন, যোগাযোগব্যবস্থা, রাস্তা, সেতু, পর্যটন ও এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পরিকল্পনা। অর্থাৎ শুধু বক্তৃতা নয়, উন্নয়ন নিয়েই তাঁর কথাবার্তা এবং পরিকল্পনা।
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালেও আরিফুল হক চৌধুরী নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দুই মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার তিনি সিলেট ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী। ফলে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক ও জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
সিলেট ৪ নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর দেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনাও সেই প্রত্যাশাকে আরও জোরালো করেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে তিনি এক বছরের মধ্যে ৬৬ কিলোমিটার রাস্তা RCC ঢালাই এবং অন্তত ১০টি ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান। শাপলা বিলের পর্যটন উন্নয়ন এবং জাফলং পর্যন্ত রেল যোগাযোগের উদ্যোগ নিয়েও তিনি কথা বলেছেন।
বিশেষ করে সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেল যোগাযোগের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে। যোগাযোগব্যবস্থার এমন বড় উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
আরিফুল হক চৌধুরীকে নিয়ে মানুষের প্রত্যাশার জায়গাটা তাই বেশ স্পষ্ট। যেখানে দায়িত্ব পেয়েছেন, সেখানেই উন্নয়নের কাজকে সামনে রাখবেন, এমন প্রত্যাশাই এখন সিলেট ৪ এর মানুষের।
একজন মানুষ একই সঙ্গে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী, এর সঙ্গে রয়েছে সাবেক দুইবারের মেয়র হিসেবে অভিজ্ঞতা। এমন একজন জনপ্রতিনিধি একটি এলাকার জন্য পাওয়া নিঃসন্দেহে বড় সুযোগ। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিলেট ৪ এর মানুষের জীবনমান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কতটা পরিবর্তন আনা যায়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের মানুষ এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে। উন্নয়নের যে পরিকল্পনা সামনে এসেছে, তার বাস্তব রূপ দেখতে চান সবাই।
আরিফুল হক চৌধুরীকে ঘিরে সিলেট ৪ এর মানুষের এই প্রত্যাশা এখন শুধু কথায় সীমাবদ্ধ নয়। কাজ এগিয়ে গেলে এবং পরিকল্পনাগুলো বাস্তবে রূপ নিলে এই আসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
আরিফুল হক চৌধুরী মানেই উন্নয়নের প্রত্যাশা, আর সেই প্রত্যাশা নিয়েই সিলেট ৪ এর মানুষ এখন অপেক্ষায়।
আরিফুল হক চৌধুরী মানেই উন্নয়ন,সিলেট ৪ এখন বড় প্রত্যাশার কেন্দ্রে
বিস্তারিত কমেন্টে
০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন
Darpan TV UK
০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
আরিফুল হক চৌধুরী মানেই উন্নয়ন,সিলেট ৪ এখন বড় প্রত্যাশার কেন্দ্রে
সিলেট ৪ আসনের মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আরিফুল হক চৌধুরী। সাবেক দুইবারের মেয়র, বর্তমান সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনাকে ঘিরে এই আসনের মানুষের প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে।
আরিফুল হক চৌধুরীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি সামনে আসে, তা হলো উন্নয়ন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে মানুষের প্রয়োজন, যোগাযোগব্যবস্থা, রাস্তা, সেতু, পর্যটন ও এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পরিকল্পনা। অর্থাৎ শুধু বক্তৃতা নয়, উন্নয়ন নিয়েই তাঁর কথাবার্তা এবং পরিকল্পনা।
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালেও আরিফুল হক চৌধুরী নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দুই মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার তিনি সিলেট ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী। ফলে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক ও জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
সিলেট ৪ নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর দেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনাও সেই প্রত্যাশাকে আরও জোরালো করেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে তিনি এক বছরের মধ্যে ৬৬ কিলোমিটার রাস্তা RCC ঢালাই এবং অন্তত ১০টি ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান। শাপলা বিলের পর্যটন উন্নয়ন এবং জাফলং পর্যন্ত রেল যোগাযোগের উদ্যোগ নিয়েও তিনি কথা বলেছেন।
বিশেষ করে সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেল যোগাযোগের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে। যোগাযোগব্যবস্থার এমন বড় উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
আরিফুল হক চৌধুরীকে নিয়ে মানুষের প্রত্যাশার জায়গাটা তাই বেশ স্পষ্ট। যেখানে দায়িত্ব পেয়েছেন, সেখানেই উন্নয়নের কাজকে সামনে রাখবেন, এমন প্রত্যাশাই এখন সিলেট ৪ এর মানুষের।
একজন মানুষ একই সঙ্গে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী, এর সঙ্গে রয়েছে সাবেক দুইবারের মেয়র হিসেবে অভিজ্ঞতা। এমন একজন জনপ্রতিনিধি একটি এলাকার জন্য পাওয়া নিঃসন্দেহে বড় সুযোগ। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিলেট ৪ এর মানুষের জীবনমান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কতটা পরিবর্তন আনা যায়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের মানুষ এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে। উন্নয়নের যে পরিকল্পনা সামনে এসেছে, তার বাস্তব রূপ দেখতে চান সবাই।
আরিফুল হক চৌধুরীকে ঘিরে সিলেট ৪ এর মানুষের এই প্রত্যাশা এখন শুধু কথায় সীমাবদ্ধ নয়। কাজ এগিয়ে গেলে এবং পরিকল্পনাগুলো বাস্তবে রূপ নিলে এই আসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
আরিফুল হক চৌধুরী মানেই উন্নয়নের প্রত্যাশা, আর সেই প্রত্যাশা নিয়েই সিলেট ৪ এর মানুষ এখন অপেক্ষায়।