ছয় কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাবে সরকারের অনুমোদন
সরকার বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড ও কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে মোট ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ৫১তম সভায় প্রস্তাব দুটি অনুমোদন করা হয়। সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হলে আলোচনা শেষে সেগুলো অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাবের মধ্যে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনা হবে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬ এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫ এর ৯৯(২) বিধি অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কার্গো কেনার সুযোগ রাখার অনুমোদনও চাওয়া হয়েছিল।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট বা এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জাপান কোরিয়া মার্কার বা জেকেএমের বাজারমূল্যের চেয়ে শূন্য দশমিক ১৭ মার্কিন ডলার কম। এ প্রস্তাবে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সরকার থেকে সরকার ভিত্তিতে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির কাছ থেকে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। কার্গোটি ২০২৬ সালের ২০ ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম জেকেএমের বাজারমূল্যের চেয়ে শূন্য দশমিক ১০ মার্কিন ডলার কম রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ কার্গো কেনার জন্য কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসিকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুটি প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে বিপি সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে পাঁচ কার্গো এবং কাতার এনার্জির কাছ থেকে এক কার্গোসহ মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।